ওয়ার্কশপ
রবিবার, ৮ নভেম্বর · দুপুর ২:৩০ · বরিশালে মাদরাসা পরিচালকদের জন্য তালিম পরিচিতি
বিস্তারিত →
ভর্তি, হাজিরা, হিফজের সবক, ফি ও হিসাব, পরীক্ষার ফলাফল। মুহতামিম সাহেব যেখানেই থাকুন, মাদরাসার প্রতিটি খবর হাতের মুঠোয়।
একজন ছাত্রের পুরো বছরের খবর: ফলাফল, হাজিরা, শিক্ষকের রিপোর্ট, হিফজ, ছুটি, লেনদেন। আগে ছয়টা খাতা ঘাঁটতে হতো, এখন আইডি বা নাম লিখলেই সব এক পাতায়।
সবক, সাতসবক, আমুখতা। কোন ছাত্র কত পারা এগোল, উস্তাদ মোবাইলেই লিখে রাখবেন, মুহতামিম এক নজরে দেখবেন।
প্রতিটি ছাত্রের পূর্ণ প্রোফাইল, অভিভাবকের তথ্য, শ্রেণি ও রোল নম্বর, সব এক পাতায়।
খাতা ছাড়াই প্রতিদিনের হাজিরা, ছুটির আবেদন ও অনুমোদন মোবাইলে।
টাকা নেওয়া, খরচ, বকেয়া ও ঋণ, অনুমোদন আর রিপোর্ট। কমিটি ও দাতাদের সামনে স্বচ্ছ হিসাব।
সন্তানের হাজিরা, ফলাফল, ফি আর মাদরাসার নোটিশ অভিভাবক নিজের মোবাইলেই দেখবেন।
শীঘ্রই: ফোনে সরাসরি নোটিফিকেশন
নম্বর দিলেই ফলাফল তৈরি, মেধাক্রম আর ফলাফলপত্র এক ক্লিকে।
আবাসিক ছাত্রদের কক্ষ, বাইরে যাওয়া-ফেরার হিসাব।
এতিম ও গরিব ছাত্রের দায়িত্ব কোন দাতা নিয়েছেন, সব আলাদা খাতে।
কোন উস্তাদ বা স্টাফ কোন কাজ করবেন, মুহতামিম নিজে ঠিক করবেন।
ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে জানান। আমরা ডেমো দেখিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর দেব।
আপনার মাদরাসার বিভাগ, শ্রেণি, ফি আর কর্মী আমরা সেটআপ করে প্রশিক্ষণ দেব।
মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন। প্রথম দিন থেকেই খাতা ছাড়া কাজ শুরু।
ছবির গোপন কোড অভিভাবক নিজের হাতে দেন। তিনি না জানালে মুহতামিম, শিক্ষক, স্টাফ কেউই কোড জানেন না, ছবিও খুলতে পারেন না। কোডটি সফটওয়্যারেও গোপন সংকেতে থাকে, আর ছবি খোলার প্রতিটি চেষ্টা লিখে রাখা হয়।
শীঘ্রই: কেউ ছবি খুলতে চাইলে অভিভাবকের কাছে সাথে সাথে খবরকোনো লেনদেন মোছা যায় না। ভুল হলে শুধু কারণসহ বাতিল, কে কখন কেন, সব লেখা থাকে।
এক মাদরাসার তথ্য অন্য মাদরাসা কখনো দেখতে পায় না।
গুরুত্বপূর্ণ কাজ কে, কখন করলেন, সফটওয়্যারে লেখা থাকে।
যার যে কাজের অনুমতি, তিনি শুধু সেটুকুই দেখবেন। মুহতামিমের অধিকার কেউ কমাতে পারেন না।
গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ডের সাথে বাড়তি কোড।
রসিদ ও ফলাফলপত্র আসল কিনা, তালিমের ভেতরে স্ক্যান করে যাচাই।
নিজের মোবাইলে সফটওয়্যার চালিয়ে দেখুন, প্রশ্ন করুন, জানুন কীভাবে মাদরাসার রোজকার কাজ সহজ হবে।
কোনো লুকানো খরচ নেই। bKash, Nagad বা ব্যাংকে পরিশোধ।
না। সাধারণ একটা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলেই সব কাজ করা যায়। চাইলে কম্পিউটারের ব্রাউজারেও চালাতে পারবেন।
হ্যাঁ, সাধারণ মোবাইল ইন্টারনেটেই চলে। খুব বেশি ডেটা খরচ হয় না।
প্রত্যেকে নিজের মোবাইল নম্বরে লগইন করবেন। মুহতামিম যে কাজের অনুমতি দেবেন, তিনি শুধু সেটুকুই দেখবেন ও করবেন।
প্রতিটি মাদরাসার তথ্য আলাদা রাখা হয়, অন্য কেউ দেখতে পারে না। হিসাবের কোনো রেকর্ড মোছা যায় না, শুধু কারণসহ বাতিল করা যায়।
শুধু নিজের সন্তানের হাজিরা, ফলাফল, ফি ও মাদরাসার নোটিশ।
না। পুরোটা বাংলায়, বড় বোতাম, সহজ পাতা। শুরুতে আমরা নিজেরাই প্রশিক্ষণ দিই।
একটা ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাই যথেষ্ট। আমরা নিজেরাই ডেমো দেখিয়ে দেব।